বাঙ্গালী
Saturday 19th of June 2021
70
0
نفر 0
0% این مطلب را پسندیده اند

থাইল্যান্ডে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের পর কারফিউ

থাইল্যান্ডে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের পর কারফিউ
ব্যাংকক, ২৩ মে (জাস্ট নিউজ) : থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী দেশটির ক্ষমতা গ্রহণের পর কারফিউ জারি অবস্থায় প্রথম রাত অতিবাহিত করেছে সেখানকার জনগণ। দেশটির স্বাধীন সব টিভি ও রেডিও স্টেশন বন্ধ রয়েছে এবং রাজনৈতিক সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কয়েকশ সশস্ত্র সেনা রাজধানী ব্যাংককের রাস্তায় অবস্থান করছে।

এদিকে বেশ কিছু দেশ সেনাবাহিনীর ক্ষমতা গ্রহণের বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা করেছে।

দেশটির সেসনা প্রধান স্থানীয় সময় রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত এই কারফিউ বলবৎ রাখার আদেশ দেন। পাশাপাশি সব রকম রাজনৈতিক সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

কারফিউ জারি থাকা অবস্থায় সেখানকার সাধারণ মানুষের মধ্যে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা গ্রহণ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

ব্যাংককের একজন বাসিন্দা সেনাবাহিনীর ক্ষমতা গ্রহণকে সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মতামত দিয়ে বলেন, আমি ভালো বোধ করছি যে সব কিছু শৃঙ্খলার মধ্যে আসবে। রেড শার্ট ও ইয়োলো শার্ট অর্থাৎ বিক্ষোভকারীরা ঘরে ফিরে যাবে। আর সাধারণ মানুষও শান্তিতে অফিস ও অন্যান্য কাজ করতে পারবে।

গত কমাস ধরে অব্যাহত রাজনৈতিক সংকটের পর সেনাবাহিনী মঙ্গলবার সামরিক শাসন জারির ঘোষণা দেয়।

গত বছরের শেষের দিকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইংলাক চিনাওয়াত পার্লামেন্টের নিম্ন কক্ষ ভেঙে দিলে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে।

এরপর কয়েক মাস ধরে ব্যাংককের বিভিন্ন এলাকা দখল করে রাখে বিক্ষোভকারীরা। তবে এই ক্ষমতা দখলের নাটক ভালোভাবে দেখছেন অনেকেই।

ব্যাংককের এই বাসিন্দা বলেন, এটা সেই পুরোনো জিনিস। তারা এর আগেও ১৭-১৮ বার একই কাজ করেছে।

তিনি বলেন, তুমি যদি আমার কাছে জানতে চাও আমি বলবো সেনাবাহিনী একেবারে নির্বোধের মতো কাজ করেছে।

সেনাবাহিনীর দেশটির সাবেক প্রধান মন্ত্রী ইনলাক চিনাওয়াত, তার কিছু আত্মীয় ও কিছু রাজনৈতিক নেতাদের আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কর্তৃপক্ষের কাছে হাজির হতে বলেছে।

এদিকে থাইল্যান্ডে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা গ্রহণের বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা করেছে পশ্চিমা দেশগুলো ও থাইল্যান্ডের প্রতিবেশী দেশগুলো।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেছেন, রাজনৈতিক নেতাদের আটক করা হয়েছে এই খবরে তিনি খুবই উদ্বিগ্ন। তিনি তাদের মুক্তি দাবি করেন।

ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপিন্স ও অস্ট্রেলিয়া গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আর জাপান বলেছে, থাইল্যান্ডে যেন খুব দ্রুত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা হয়।

(জাস্ট নিউজ/ডেস্ক/এইচও/০৯৩৩ঘ)

70
0
0% (نفر 0)
 
نظر شما در مورد این مطلب ؟
 
امتیاز شما به این مطلب ؟
اشتراک گذاری در شبکه های اجتماعی:

latest article

ইসরাইলের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহর ...
শিয়াদেরকে ধ্বংস করার জন্য বই পড়তে ...
পালমিরা মুক্তির চূড়ান্ত প্রস্তুতি ...
কেন হযরত আয়াতুল্লাহ বুরুজেরদী সৌদি ...
কাবুলে শিয়াদের বিক্ষোভ সমাবেশে ...
عراقی فوج اور سید الشھدا(ع) رضاکار فورس کا صوبہ الدور ...
ইহুদিবাদী ইসরাইলের অবৈধ জন্মের ...
মোল্লা ওমরের মৃত্যুর খবর নাকচ ...
ইরানের সমরশক্তি
ইমাম হুসাইন (আ.) এর মাজারের মাটি ...

 
user comment