বাঙ্গালী
Friday 16th of April 2021
331
0
نفر 0
0% این مطلب را پسندیده اند

প্রাইভেট ভার্সিটির মান ও ডিগ্রি মূল্যায়নে কাউন্সিল হচ্ছে

বার্তা সংস্থা আবনা : বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর দেয়া ডিগ্রি রেটিং করবে সরকার। কোন বিশ্ববিদ্যালয় কেমন পড়াচ্ছে, কাদের প্রদত্ত ডিগ্রি ও কোন প্রোগ্রামটি সবচেয়ে মানসম্মত- এসবই ওই রেটিংয়ের উদ্দেশ্য। এ লক্ষ্যে সরকার একটি ‘অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল’ গঠন করবে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের চাকরিদাতারা মূল্যায়ন করবেন এসব।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, প্রস্তাবিত সংস্থাটি হবে জাতীয়, স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত। এ জন্য সরকার ১৯টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মতামত নিয়ে ইতিমধ্যে একটি খসড়া বিধিমালা তৈরি করেছে। সেটি চূড়ান্ত করতে শিগগিরই বৈঠকে বসছেন নীতিনির্ধারকরা।
সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, এই কাউন্সিল গঠনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনগণকে শিক্ষা বেনিয়াদের কবল থেকে রক্ষা করা। কেননা পকেটের অর্থ খরচ করে উচ্চশিক্ষা নিতে গিয়ে ভুয়া ও মানহীন বিশ্ববিদ্যালয়ের কবলে পড়ে অনেকেই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। মানহীন ডিগ্রির কারণে অনেকে চাকরির বাজারেও উপেক্ষিত হচ্ছেন। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ জানান, উচ্চশিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল গঠনের ব্যাপারে জাতীয় শিক্ষানীতিতে নির্দেশনা রয়েছে। তাছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০-এর ৩৮ ধারা বাস্তবায়নেও এটি গঠন প্রয়োজন। এছাড়া, ইউজিসি প্রতি বছরই তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে এ ব্যাপারে সুপারিশ করে থাকে। কাউন্সিল হয়ে গেলে জনগণ অনেক উপকৃত হবে।
ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. একে আজাদ চৌধুরী জানান, অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল গঠিত হলে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের মানসম্মত শিক্ষাদানে কোন স্থানে কিংবা কার কোন ডিগ্রিটি কতটা মানসম্পন্ন তা নিয়মিত প্রকাশ করা যাবে। এর ফলে জনগণের প্রতারিত হওয়ার রাস্তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হবে।
এসিপিইউবি : সংস্থাটির নাম হবে ‘অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল ফর প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিস অব বাংলাদেশ’ (এসিপিইউবি)। কাউন্সিলের একজন চেয়ারম্যান ও জাতীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্বকারী বিশজন সদস্য নিয়ে কাউন্সিলের সাধারণ পরিষদ গঠিত হবে। অধ্যাপনায় পনের বছর ও প্রশাসনিক কাজে পঁচিশ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজনকে রাষ্ট্রপতি তিন বছর মেয়াদের জন্য চেয়ারম্যান নিযুক্ত করবেন। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও তাদের প্রোগ্রামের এরা যে মূল্যায়ন করবেন তা জনসমক্ষে প্রচার করা হবে। প্রতিটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এসিপিইউবি’র সদস্য হবে। প্রবিধান কার্যকর হওয়ার তিন মাসের মধ্যে নির্ধারিত ফি দিয়ে বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়কে আর নতুন বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন পাওয়ার ৬ মাসের মধ্যে সদস্য পদ নেবে।
কাউন্সিলের প্রারম্ভিক তহবিল ১০০ কোটি টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে।
মানের ক্রমানুযায়ী পাঁচ ধরনের ক্যাটাগরি করা হবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে। এগুলো হচ্ছে- ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ এবং ‘ইউ’ বা ‘অসন্তোষজনক’।
চাকরিদাতাদের মধ্যে যারা সদস্য : সাধারণ পরিষদের মধ্যে যে পাঁচ ধরনের প্রতিনিধি থাকবে তাতে এফবিসিসিআই, বিজেএমইএ, বিকেএমইএ, ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ এ ধরনের ১২ সমিতি থেকে ৩ জন সদস্য বেছে নেয়া হবে। পেশাজীবী ও গবেষণা সংস্থার সদস্যও থাকবেন ৪ জন।
বিরোধিতার আশংকা! : মূলত ২০০৩ সাল থেকে সরকার এই কাউন্সিল গঠনের চেষ্টা করছে। বিগত এক দশকে এ নিয়ে অন্তত ১০ বার উদ্যোগ নেয় সরকার। কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মালিকপক্ষের মুষ্টিমেয় কয়েকজন সদস্য যতবারই সরকার এটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে, ততবারই নানা ছুতোয় বিরোধিতা করেছে। ২০০৮ সালের ৭ জুলাই তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দীন আহমদের দফতর থেকে এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশ দেয়া হলে তখন ‘নতুন আইনের অধীনে করা হবে’ এই ধুয়া তুলে কালক্ষেপণ করা হয়। ২০১০ সালের জুলাই মাসে নতুন আইন হলেও সাড়ে ৪ বছরেও এটা করা যায়নি। তাই, এবারও সংশয় দেখা দিয়েছে!
(রিপোর্ট : মুসতাক আহমদ, দৈনিক যুগান্তর)

331
0
0% (نفر 0)
 
نظر شما در مورد این مطلب ؟
 
امتیاز شما به این مطلب ؟
اشتراک گذاری در شبکه های اجتماعی:

latest article

নও মুসলিম গ্যারি মিলার
বিশ্ব কুদস দিবস উপলক্ষে ঢাকায় বিশেষ ...
মিশরের ইখওয়ানুল মুসলিমিনের ...
শিয়াদের উপর হামলার প্রতিবাদে অনশনে ...
সৌদি আরবে ৪ শিয়া মুসলিমের শিরোচ্ছেদ ...
পরীক্ষার খাতায় মায়ের গল্প লিখে ...
নিউজিল্যান্ডের দুই মসজিদে হামলা: ...
চল্লিশ বছর পর আবার...
৯/১১ এ নিহত বাংলাদেশিদের নিউ ইয়র্কে ...
পাকিস্তানে স্বপরিবারে শিয়া কর্নেলের ...

 
user comment