বাঙ্গালী
Tuesday 21st of May 2019
  85
  0
  0

রজব মাসের ফজিলত ও আমল

রজব মাসের ফজিলত ও আমল

রজব বেহেশতের একটি ঝর্ণাধারার নাম; যার (পানি) দুধের চেয়েও সাদা এবং মধুর চেয়ে মিষ্টি।

আবনা ডেস্কঃ হজরত মুসা ইবনে জাফর (আ.) হতে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি পবিত্র রজব মাসে একদিন রোজা রাখে,সে ব্যাক্তি এক বছর জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা পায় এবং যে ব্যক্তি তিনদিন রোজা রাখে তার উপর বেহেশত ওয়াজিব হয়ে যায়।

তিনি আরো বলেছেন : রজব বেহেশতের একটি ঝর্ণাধারার নাম; যার (পানি) দুধের চেয়েও সাদা এবং মধুর চেয়ে মিষ্টি। যে ব্যক্তি এ মাসে একদিন রোজা রাখে সে অবশ্যই এ ঝর্ণাধারা হতে পানি পান করবে।

ইমাম সাদিক্ব (আ.) হতে বর্ণিত হয়েছে যে, মহানবী (স.) বলেছেন: ‘রজব মাস আমার উম্মতের এস্তেগফার তথা ক্ষমা প্রার্থনার মাস। অতএব, এ মাসে অত্যাধিক ক্ষমা প্রার্থনা কর, কেননা মহান আল্লাহ্ ক্ষমাশীল ও অত্যন্ত দয়ালু। রজব মাসকে (أصل) বলা হয়, কারণ এ মাসে আমার উম্মতের উপর আল্লাহ তায়ালার  অত্যাধিক রহমত বর্ষিত হয়, অতএব, (أَسْتَغْفِرُ اللهَ وَ أَسْأَلُهُ التَّوْبَةَ) এ যিকরটি অত্যাধিক পাঠ কর।

মহানবী (স.) হতে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি পবিত্র রজব মাসে ১০০ বার পাঠ করবে

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الَّذِى لا إِلَهَ إِلا هُوَ وَحْدَهُ لا شَرِیكَ لَهُ وَ أَتُوبُ إِلَیْهِ

যে ব্যাক্তি উক্ত এস্তেগফারটি পাঠ করবে এবং সাদক্বা প্রদান করবে তার উপর মহান আল্লাহ তায়ালার  রহমত ও মাগফিরাত (বর্ষিত হবে), আর যে ব্যক্তি উক্ত এস্তেগফারটি ৪০০ বার পড়বে তাকে আল্লাহ তায়ালা ১০০ শহীদের সমপরিমাণ সওয়াব প্রদান করবেন।

নবী (স.) হতে বর্ণিত হয়েছে : যে ব্যক্তি রজব মাসে এক হাজার বার (لا إله إلا الله) বলবে, মহান আল্লাহ তায়ালা তাকে ১ লক্ষ সওয়াব প্রদান করবেন এবং তার জন্য বেহেশতে ১ শত শহর নির্মাণ করে দিবেন।

সৈয়দ ইবনে তাউস (রহ.) তার গ্রন্থে মহানবী (স.) হতে বর্ণিত একটি রেওয়ায়েত এভাবে উল্লেখ করেছেন যে, রজব মাসে সুরা ইখলাস পাঠের বিষয়ে রাসুল (সা.) ব্যাপক ফজিলতের কথা উল্লেখ করেছেন যে, এ মাসে ১০ হাজার বার বা ১ হাজার বার বা ১০০ বার সুরা ইখলাস তেলাওয়াত করা (অতি উত্তম)। এছাড়া আরো বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি রজব মাসের শুক্রবার দিন ১০০ বার সুরা ইখলাস তেলাওয়াত করবে, কেয়ামতের দিন একটি নূর তাকে বেহেশতের দিকে পথ প্রদর্শন করবে।

হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি রজব মাসের সকালে ও রাতে ৭০ বার ‘আস্তাগফিরুল্লাহ্ ওয়া আতুবু ইলাইহি’ বলে এবং যিকর শেষ হওয়ার পর হাত উঁচু করে বলে: হে আল্লাহ্ আমাকে ক্ষমা করে দাও এবং আমার তওবা গ্রহণ করে নাও তাহলে যদি সে রজব মাসে মারা যায় তবে মহান আল্লাহ তার উপর সন্তুষ্ট থাকবেন এবং পবিত্র রজব মাসের বরকতে (জাহান্নামের) আগুন তাকে স্পর্শ করবে না।

এ মাসে সর্বমোট এক হাজার বার ‘আস্তাগফিরুল্লাহা যুল জালালি ওয়াল ইকরামি মিন জামিয়ীয যুনুবি ওয়াল আসনাম’ পাঠ করা অতীব গুরুত্বপূর্ণ, পরম করুণাময় মহান আল্লাহ্ গুনাহসমূহকে ক্ষমা করে দেন।

এ মাসে তিনদিন; বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবার রোজা রাখা। হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি হারাম মাসসমূহের যে কোন একটিতে এ তিন দিন রোজা রাখে, মহান আল্লাহ তাকে ৯০০ বছরের ইবাদতের সমপরিমাণ সওয়াব দান করেন।

রসূল (স.) হতে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি রজব মাসের রাতসমূহের একটিতে (দুই রাকাত করে) ১০ রাকাত এ পদ্ধতিতে নামায আদায় করে:

প্রতি রাকাতে সুরা ফাতিহার পর ১ বার সুরা কাফিরুন এবং ৩ বার সুরা ইখলাস পাঠ করে। মহান আল্লাহ তায়ালা তার গুনাহসমূহকে ক্ষমা করে দেন।# (ইন্টারনেট থেকে সংগৃহিত)

  85
  0
  0
امتیاز شما به این مطلب ؟

latest article

      পবিত্র রমজানের প্রস্তুতি ও ...
      সুন্নি আলেমদের দৃষ্টিতে ইমাম মাহদি ...
      ‘১০ বছরের মধ্যে ব্রিটেন হবে মুসলিম ...
      প্রাচীন ইসলামি নিদর্শন ধ্বংস করার ...
      ব্রাসেলসে ইহুদি জাদুঘরে হত্যাকাণ্ড ...
      রজব মাসের ফজিলত ও আমল
      সাড়ে ৫ হাজার ইরাকি বিজ্ঞানীকে হত্যা ...
      ইরান পরমাণু বোমা বানাতে চাইলে কেউই ...
      অশ্রু সংবরণ করতে পারেননি আফজাল গুরুর ...
      ধর্ম নিয়ে তসলিমার আবারো কটাক্ষ

 
user comment