বাঙ্গালী
Monday 20th of November 2017
code: 81164
শিয়াদের মৌলিক বিশ্বাস (পর্ব-৫) : কিয়ামত বা মাআদ



পুনরুত্থান বা মাআদ সম্পর্কে আমাদের বিশ্বাস :

আমরা বিশ্বাস করি যে,মহান আল্লাহ মানুষকে মৃত্যুর পর পুনরুত্থান দিবসে নতুন করে জীবিত করবেন এবং সৎকর্মকারীকে পুরস্কৃত করবেন। আর পাপীকে শাস্তি দিবেন।

খুটিনাটি বিষয়াদি বাদ দিলে এ বিশ্বাসের ক্ষেত্রে সামগ্রিকভাবে সমস্ত ঐশী দ্বীনসমূহ ও দার্শনিকরা একমত। মুসলমান মাত্রই কোরআনের বিশ্বাস অনুসারে এর প্রতি বিশ্বাস রাখা আবশ্যক যে কোরআন হযরত মোহাম্মদের (সা.) উপর অবতীর্ণ হয়েছে।

কারণ যে মহান আল্লাহ ও হযরত মোহাম্মদ (সা.) এ রেসালাতের প্রতি নিশ্চিত বিশ্বাস রাখে এবং বিশ্বাস রাখে যে,মহান আল্লাহ তাকে (সা.) নিজের পক্ষ থেকে মানুষের হেদায়াত ও সত্য দ্বীন প্রচারের জন্য প্রেরণ করেছেন;তার পক্ষে এ পবিত্র কোরআনে যা কিছু এসেছে তাতেও বিশ্বাস করা ছাড়া গতান্তর নেই। যেমন- পবিত্র কোরআনে পুনরুত্থান দিবস,সাবাব ও শাস্তি,বেহেস্ত ও এর নেয়ামতসমূহ এবং দোযখ ও এর অগ্নি সম্পর্কে সংবাদ দিয়েছে। সুতরাং এগুলোতে বিশ্বাস করা আবশ্যক।

পবিত্র কোরআনে প্রায় এক হাজারের মত আয়াতে সুষ্পষ্টরূপে পুনরুত্থান ও মানুষকে দ্বিতীয়বারের মত জীবিত করার ব্যাপারে ইংগিত দেয়া হয়েছে। অতএব যখন কেউ এ ব্যাপারে দ্বিধাদ্বন্দ্ব প্রকাশ করে তখন এটা সুষ্পষ্টরূপে প্রতীয়মান হয় যে,প্রকৃতপক্ষে সে রাসূলের (সা.) রেসালাতের প্রতি,কিংবা মহান আল্লাহর অস্তিত্ব ও তার ক্ষমতার প্রতি সন্দেহ পোষণ করে। আরও উপরে উঠে বলা যায় যে,সে সমস্ত ঐশী দ্বীনের মূলে এবং এগুলোর সত্যতা সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করে।



দৈহিক পুনরুত্থান সম্পর্কে আমাদের বিশ্বাস :

শীয়ারা মূল পুনরুত্থানে বিশ্বাসের পাশাপাশি দৈহিক পুনরুত্থানেও বিশ্বাস করে এবং একেও দ্বীনের স্বতঃসিদ্ধ বিষয় বলে মনে করে। যেমন- কোরআনের একটি আয়াতে আমরা পড়ি-

“ওহে! মানুষ কি মনে করে যে আমরা কিয়ামত দিবসে তার হাড়গুলোকে একত্র করব না? না! এ ধারণা ঠিক নয়। বরং আমরা তার আংগুলের অগ্রভাগুলোকেও আগের মত তৈরী করতে সক্ষম।” (সূরা কিয়ামত -৩)

অনুরূপ আমরা অপর একটি আয়াতে পড়ি-

“যদি অস্বীকারকারীদের ধারণায় তুমি আশ্চার্যন্বিত হও,তবে তার চেয়ে আশ্চর্যজনক হলো তাদের বক্তব্য যারা বলে- মাটিতে পরিণত হওয়ার পর পুনরায় কি নতুনভাবে সৃষ্টি হব? (সূরা রাদ - ৫)

অপর এক আয়াতে বর্ণিত হয়েছে-

“ওহে! আমরা কি প্রথমবার সৃষ্টি করতে অক্ষম ছিলাম? না বরং এ অস্বীকারকারীরা পরবর্তী জীবন সম্পর্কে সন্দেহ করে।” (সূরা ক্বাফ-১৫)

সংক্ষেপে দৈহিক পুনরুত্থান হলো- মানুষ কিয়ামত দিবসে জীবিত হবে এবং তার দেহ যা এক নির্দিষ্ট সময়ের জন্য গলে গিয়েছিল পুনরায় সে একই আকৃতিতে ও অবয়বে ফিরে আসবে।

পবিত্র কোরআনে যা বর্ণিত হয়েছে তার অধিক বিস্তারিত বর্ণনায় বিশ্বাস করার প্রয়োজন নাই। বরং যা বিশ্বাস করা জরুরী তা হলো মূল মাআদ বা পুনরুত্থান ও এতদসংশ্লিষ্ট বিষয়। যেমন- হিসাব,সিরাত,মিজান,বেহেশত,দোযখ,সাওয়াব ও শাস্তি। যতটুকু কোরআন বর্ণনা করেছে তা-ই যথেষ্ট।

এ বিষয়ের উপর সমস্ত খুটিনাটি যা পন্ডিত ও চিন্তাবিদ ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কারো জ্ঞাতব্য নয় তা সূক্ষ্মভাবে সনাক্তকরণ আবশ্যক নয়। যেমন- ঠিক এদেহই ফিরে আসবে না-কি এর সদৃশ কোন দেহ? আমাদের রূহ আমাদের শরীরের মতই ধ্বংস হবে,না-কি অটুট থাকবে এবং কিয়ামত দিবসে দেহের সাথে সমন্বিত হবে? পুনরুত্থান ও হাশর কি কেবল মানুষের জন্যই না-কি সমস্ত প্রাণীরই হাশর হবে? শরীরের জীবিত হওয়া কি পর্যায়ক্রমিক হবে,না-কি একবারেই হবে?১৫

উদাহরণতঃ কেবল বেহেশত ও দোযখের বিশ্বাস রাখা জরুরী। কিন্তু বেহেশত ও দোযখ এখন আছে কি-না,কিংবা আকাশে আছে,না-কি পৃথিবীতে আছে অথবা বেহেশত আকাশে এবং দোযখ পৃথিবীতে- এগুলো বিশ্বাস করা জরুরী নয়।

অনুরূপভাবে মূল মিজানের প্রতি বিশ্বাস রাখা আবশ্যক। কিন্তু মিজান কি অবস্তগত নীক্তি,না-কি অন্যান্য নিক্তির মত দু’হাতল বিশিষ্ট- এগুলো বিশ্বাস করা জরুরী না। অনুরূপ জানা দরকার নেই যে,পুল সিরাত কি কোমল ও সরু বস্তুগত পথ (তরবারী থেকে ধারালো এবং চুল থেকে সরু),না-কি তা অবস্তুগত দৃঢ়তা এবং সফলতার পথ।(কাশে ফুল গিতা - পৃ : ৫)

সংক্ষেপে ইসলাম বাস্তবায়নের জন্য এ খুটিনাটিগুলোতে বিশ্বাস করা জরুরী নয়। বরং পুনরুত্থান সম্পর্কে সরল ও অনুভবযোগ্য বিশ্বাস সেটিই যা দ্বীন ইসলাম বলেছে। যদি কোন ব্যক্তি কোরআন যা বলেছে তার চেয়ে বেশী জানতে চায় যাতে অস্বীকারকারীদের মোকাবিলায় তুষ্টকারী দলিল উপস্থাপন করতে পারে,প্রকৃতপক্ষে তারা নিজেদেরকে কষ্ট-ক্লেশে ফেলেছে এবং যে আলোচনার কোন শেষ নেই এমন সমস্যা সংকুল আলোচনায় নিজেদেরকে মশগুল করেছে।

ইসলামে এমন কোন নির্দেশ নেই যা মুসলমানদেরকে কালাম শাস্ত্রেরও দর্শনের সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানতে আহবান করেছে। ধর্মীয়,সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রয়োজনও আমাদেরকে ঐ সকল গ্রন্থে যা কিছু এসেছে তার সবকিছুই জানতে আহবান করে না। কারণ এ বক্তব্যগুলোর সবই তার্কিকদের চিন্তা থেকে উৎসারিত এবং এগুলোতে সময় নষ্ট করা ও বুদ্ধি নষ্ট করা ব্যতীত অন্য কোন উপকারিতা নেই।

এ ধরনের দ্বিধা দ্বন্দ্বের অবসান ঘটাতে (যা মস্তিস্কে এসে ভীড় জমায়) এটুকু বলাই যথেষ্ট যে,মানুষের দৃষ্টির আড়ালের সমস্ত বিষয় সম্পর্কে অবগত হওয়া মানুষের পক্ষে সম্ভব নয় কিংবা মানুষ তা করতে অক্ষম। তাছাড়া আমরা জানি যে,সর্বজ্ঞ ও মহাপরাক্রমশালী মহান আল্লাহ আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন যে,কিয়ামত,পুনরুত্থান দিবস এবং হাশর-নশর সত্য।

মানুষ তাতে সক্ষম নয় যে অভিজ্ঞতালব্ধ পদ্ধতিতে যা অভিজ্ঞতালব্ধ পদ্ধতির আওতায় নয় তা অনুধাবন করবে যতক্ষণ পর্যন্ত সে মৃত্যুর মাধ্যমে এ ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগত থেকে অন্য এক জগতে স্থানান্তরিত হয়। অতএব মানুষ কিরূপে সীমাবদ্ধ চিন্তা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে স্বয়ং কিয়ামতকে প্রতিপাদন বা অস্বীকার করতে পারে?

সুতরাং মানুষ তার এ সীমাবদ্ধ চিন্তা ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে পুনরুত্থানের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কেই যেখানে বেশীদূর অগ্রসর হতে পারে না। সেখানে এর খুটিনাটি বিষয়কে অনুধাবনের কথাতো বলাই বাহুল্য।

অভিজ্ঞতায় প্রমাণিত হয়েছে যে,মানুষকে প্রকৃতিগতভাবেই এমনভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে যে,যে সকল বিষয়ে তার অভ্যস্ত নয় এবং যা যা তার জ্ঞান,ইন্দ্রিয় ও অভিজ্ঞতার সীমানা বহির্ভূত সেগুলোকে তার কাছে আশ্চর্যজনক মনে হয়। যেমন- সে ব্যক্তির মত যে,হাশর ও নশরের প্রক্রিয়া সম্পর্কে আশ্চর্যান্বিত হলো এবং নষ্ট হয়ে যাওয়া হাড়কে এমনভাবে চাপ দিল যে এর গুড়াগুলো বাতাসে উড়ে গেল। আর তখন সে বলল-

“কে এই গলিত বিগলিত হাড়গুলোকে পুনরায় মানুষের মত করে জীবিত করবেন?”(সূরা ইয়াসিন-৭৮)

তবে এ ব্যাপারে তার আশ্চর্য হওয়ার কারণ হলো সে এমন কোন মৃতকে দেখেনি যে পঁচে গলে যাওয়ার পর পুনরায় পূর্বের মত জীবিত হয়েছে। কিন্তু ঐ ব্যক্তি তার প্রথম সৃষ্টির কথা ভুলে গিয়েছে- কিরূপে তাকে ‘নাই’থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। অথচ সৃষ্টির পূর্বে সে আসমান ও জমিনে বিক্ষিপ্ত অবস্থায় ছিল। অতঃপর তাকে মানুষরূপে সৃষ্টি করা হয়েছে। যেমনটি পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে-

“মানুষ কি দেখে না যে,আমরা তাকে নোতফা (শুক্রানু) থেকে সৃষ্টি করেছি? এখন তারা কৃতজ্ঞতা ও নম্রতার পরিবর্তে প্রকাশ্যে আমাদের কুদরতের মোকাবিলায় শত্রুতা করে এবং আমার সাথে সাদৃশ্য করে,কিন্তু তার সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে বিস্মৃত হয়ে।”(সুরা ইয়াসিন ৭৭-৭৮)

কোরআন এ ধরনের আপনভোলা ও উদাসীন লোকদেরকে বলে-

“যিনি প্রথমবার মানুষকে ‘নাই’থেকে সৃষ্টি করেছেন,তিনিই তাকে দ্বিতীয়বার জীবিত করবেন। কারণ তিনি সকল প্রকার সৃষ্টি সম্পর্কেই সম্যক অবগত।”(সুরা ইয়াসিন -৭৯)

সুতরাং কিয়ামতকে অস্বীকার করে এমন ব্যক্তির উদ্দেশ্যে আমরাও বলব- তুমিতো সকল সৃষ্টির সৃষ্টিকর্তা,তার ক্ষমতা এবং মহানবীর (সা.) রেসালাত ও তার কথার সত্যতা সম্পর্কে বিশ্বাস স্থাপন করেছ। অপরদিকে যখন তোমার জ্ঞান ও অনুভূতি সৃষ্টির রহস্যকে অনুধাবন করতে অপারগ এবং তুমি কিরূপে বিকাশ লাভ করেছ তাও জান না,কিরূপে ইচছা,অনুভূতি ও বুদ্ধিশুন্য নোতফা থেকে অস্তিত্বে এসেছ এবং ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত কনিকাগুলোর পারস্পরিক সমন্বয়ের ফলে এক যথাযথ মানুষে পরিণত হয়েছ এবং সর্বদিক থেকে প্রস্তুত,বুদ্ধিবিবেক সম্পন্ন,অনুভূতিশীল হিসেবে প্রকাশ লাভ করেছ তখন কেন এ ব্যাপারে আশ্চার্যান্বিত হও যে,মৃত্যুর পরেও বিগলিত হওয়ার পর পূনরায় জীবিত হবে?

যদি তুমি চাও বিজ্ঞান ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে মৃতদেরকে জীবিত হওয়ার ব্যাপারটি অনুধাবন করবে,তবে তা সম্ভব নয়। বরং তোমার জন্য কেবল একটি পথই খোলা- আর তা হলো এই যে,তোমাকে হয় এ কিয়ামত বা পুনরুত্থান স্বীকার করতে হবে যা বিশ্বের সর্বজ্ঞ ও পরাক্রমশালী সৃষ্টিকর্তা,যিনি নিঃশেষ ও বিলুপ্তি সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে সংবাদ দিয়েছেন,আর জেনে রাখতে হবে যে,এর রহস্য উদঘাটনের জন্য যতই চেষ্টা কর না কেন কোন ফল পাবে না। কারণ তোমার জ্ঞান ও অনুভূতি এক্ষেত্রে অক্ষম। সুতরাং যে কোন পদক্ষেপই নাও না কেন তা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে এবং সীমাহীন মরুভূমিতে পথচলার মত হবে কিংবা অন্ধকারে চোখ খোলার মত হবে। কারণ মানুষ যদিও শেষোক্ত শতাব্দীগুলোতে অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানে এতটা অগ্রগতি অর্জন করছে,বিদ্যুৎ,রাডার ইত্যাদি ব্যবহার করছে,পরমাণুকে বিভাজন করছে,(যদিও অসম্ভব মনে করছে এবং অনেকেই উপহাস করছে) তথাপি সে বিদ্যুৎ ও পরমাণুর স্বরূপ উদঘাটন করতে ব্যর্থ হয়েছে। এমনকি সে এগুলোর কোন একটি বৈশিষ্ট্যকে (পরিপূর্ণরূপে) অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়েছে। এমতাবস্থায় সে কিরূপে সে সৃষ্টি রহস্য উদঘাটন করতে সামর্থ্য হবে? তদুপরি,সে কিয়ামত ও পুনরুত্থানের রহস্য উদঘাটন করতে চায়?

অতএব উপরোক্ত বিষয়ের আলোকে বলা যায়- মানুষের জন্য সর্বাধিক উপযুক্ত কাজ হলো- ইসলামের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করার পর,নফসের কামনাকে অনুসরণ করা থেকে দূরে থাকা। আর এমন কর্মকান্ডে মশগুল হওয়া যা তার ইহ ও পরকালীন কল্যাণে আসবে এবং মহান আল্লাহর নিকট তার মর্যাদা ও স্থানকে সমুন্নত করবে। আর এমন সকল বিষয় সম্পর্কে তাকে চিন্তা করা উচিৎ যা তাকে এ পথে সাহায্য করবে। আরও চিন্তা করা উচিৎ যে,মৃত্যুর পরবর্তী জীবনে কিরূপ কঠিন অবস্থার সম্মুখীন হতে হবে,যেমন- কবর আজাব এবং সর্বজ্ঞ ও বিশ্বাধিপতি মহান আল্লাহর সম্মুখে উপস্থিত হওয়ার পর হিসেব দান করা ইত্যাদি;যাতে সে দিনের জন্য প্রস্তুত হতে পারে যার বর্ণনায় পবিত্র কোরআন বলে-

“কারো জায়গায় অন্য কাউকে শাস্তি দেয়া হবে না। কারো কোন শাফাআত ও বিনিময় গ্রহণ করা হবে না এবং তাদের জন্য কোন সাহায্যকারী থাকবে না।?” (সূরা বাকারা -৪৮)

 

user comment
 

latest article

  ইমাম রেযা (আ.)এর শাহাদাত বার্ষিকী
  নবীবংশের অষ্টম নক্ষত্র ইমাম রেযার (আ.) ...
  আদর্শ মানব হযরত মুহাম্মদ (সা.) - ১ম পর্ব
  হযরত মুহাম্মদ(সাঃ) ও তাঁর আহলে বাইতের ...
  মহানবীর ওফাত দিবস এবং ইমাম হাসান (আ) এর ...
  রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নবুওয়াত-পূর্ব জীবন
  আদাবুস সুলূক (আধ্যাত্মিক পথ পরিক্রমার ...
  আদাবুস সুলূক (আধ্যাত্মিক পথ পরিক্রমার ...
  তাসাউফ : মুসলিম উম্মাহর সেতুবন্ধন
  মহান আশুরা: শোক যখন শিল্প ও শক্তি