বাঙ্গালী
Sunday 24th of March 2019
  1825
  0
  0

"মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ (সা.)’ চলচ্চিত্র নিয়ে বিদ্বেষী তৎপরতার নেপথ্যে

"মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ (সা.)’ চলচ্চিত্র নিয়ে বিদ্বেষী তৎপরতার নেপথ্যে

প্রায় পাঁচশ কোটি টাকা ব্যয়ে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর মহাপবিত্র জীবনীর ওপর নির্মিত ইসলামী ইরানের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোচ্চ ব্যয়বহুল চলচ্চিত্র "মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ (সা.)" এর নির্মাণ ও মুক্তি নিয়ে যেমন মুসলিম বিশ্বসহ অন্যান্য জাতি-ধর্মের মানুষের মধ্যেও ব্যাপক জল্পনা কল্পনা ও অধির আগ্রহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, ঠিক তেমনি একটি বিশেষ মহলের মধ্যে এর ঠিক বিপরীত চিত্রও পরিলক্ষিত হচ্ছে।
এই চলচ্চিত্রের ব্যাপারে মানুষের আগ্রহ উদ্দীপনার কারণ অনুসন্ধান করার কোনো প্রয়োজন আছে বলে আমার মনে হচ্ছে না, কারণ বিশ্বনবীর যুগান্তরী ও বৈশ্বিক জীবনাদর্শ এবং মানব ইতিহাসে তাঁর (সা.) সার্বজনীন ভূমিকা যুগে যুগে মানুষকে বাধ্য করে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ এই নবীর ব্যাপারে জানতে। কিন্তু এই মহান ও যুগোপযোগী কীর্তিটির বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নিয়েছে, তাদের এই অযৌক্তিক বিরোধী অবস্থানের কারণ অনুসন্ধান করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে মনে হচ্ছে।
প্রথমে দেখে নেয়া যাক এই বিরুদ্ধাচারণকারীরা কত প্রকার ও তাদের বিরুদ্ধাচারণের কারণসমূহ কী কী। এদের একটি সরল প্রকারভেদ ও কার্যকারণ নিম্নে দেয়া হল:

এক. অতিমাত্রার বিরুদ্ধাচারণকারী:
এরা যেকোনো মূল্যে ও যেকোনো পরিস্থিতিতে চলচ্চিত্রটির বিরুদ্ধাচারণ করছে। চলচ্চিত্রটিকে ব্যার্থ করার জন্য প্রয়োজনে তারা যেকোনো ধরনের অপপ্রচার ও অপকৌশলের আশ্রয় নিতেও পিছপা হচ্ছে না।

কারণ:
-- প্রচণ্ড পরিমাণে হিংসা, বিদ্বেষ ও অহংকার:
যেহেতু চলচ্চিত্রটি সৌদি ওয়াহাবী বা তুর্কী সুন্নিরা নির্মাণ করেনি, বরং নির্মাণ করেছে ইসলামী ইরানের শিয়ারা; সুতরাং তারা তাদের জাতীয়তাবাদ, মাযহাবগত বিদ্বেষ, রাজনৈতিক-সামরিক অবস্থান, প্রভৃতি কারণে উক্ত চলচ্চিত্রটির বিরুদ্ধাচারণের পথ বেছে নিয়েছে। সাধারণত তাকফিরি জঙ্গি সন্ত্রাসীদেরকে দেখা যাচ্ছে মূলত এই কারণেই চলচ্চিত্রটির বিরুদ্ধাচারণ করতে।

-- প্রচণ্ড পরিমাণে অজ্ঞতা, বোকামী ও অন্ধত্ব:
যেহেতু একদল অজ্ঞ, অন্ধ ব্যাক্তিদের মধ্যে এই ধারণা বদ্ধমূল হয়ে আছে যে ইসলামে চিত্র বা চলচ্চিত্র সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তাই তারা শিল্প ও প্রচার মাধ্যমটির উদ্দেশ্যের দিকে একেবারেই লক্ষ্য না করে খোদ মাধ্যমটিকেই পরিহার করে চলছে; ফলে তারা ভালো-মন্দ, নৈতিক-অনৈতিক, ধর্মীয়-অধর্মীয়, মার্জিত-অশ্লীল, প্রভৃতি সর্বপ্রকারের চলচ্চিত্র সমূহকেই একই দৃষ্টিভঙ্গিতে মূল্যায়ন করছে ও তার বিরোধিতা করে আসছে। এদের কাউকে কাউকে যদিও কদাচিৎ হলিউডের কিছু অমার্জিত চলচ্চিত্রও দেখতে দেখা যায়, কিন্তু নৈতিক ও ধর্মীয় চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে তারা আবার খুবই সাবধানতার সাথে তা পরিহার করে চলে চলচ্চিত্র "হারাম" হবার অজুহাতে। মূলত পশ্চাৎপদ কওমী মাদ্রাসাগুলোর ছাত্র, শিক্ষক ও তাদের অনুসারীরা এই কারণে "মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ (সা.)" চলচ্চিত্রটির বিরোধিতা করছে।

-- প্রচণ্ড পরিমাণে দালালী, গোলামী ও চামচামী:
মূলত বিশ্ব যায়নবাদী ও নাস্তিক্যবাদী শক্তিগুলো ও তাদের দালাল-গোলামরা কেউই চাচ্ছে না যে, ইসলামের নবী (সা.) এর ওপর কোনো চলচ্চিত্র নির্মিত ও প্রচারিত হোক। কারণ, এতে করে তাদের গোপন শয়তানী মিশনের অপরিসীম ক্ষতি সাধিত হবে। আর যেহেতু সৌদি রাজতন্ত্র ও ওয়াহাবী-সালাফী আন্দোলন সমূহ যায়নবাদীদেরই আজ্ঞাবহ, সুতরাং তারা এবং তাদের বিশ্ব নেটওয়ার্ক সমূহ যায়নবাদীদের দেয়া অ্যাসাইনমেন্টের কারণে উক্ত চলচ্চিত্রটির বিরোধিতায় নেমেছে। সাধারণত ওয়াহাবী গোষ্ঠীগুলো ও বিশ্বব্যাপী সৌদি কনস্যূলেটের পোষ্যরা এই কারণেই চলচ্চিত্রটির বিরুদ্ধাচারণ করছে।

দুই. মধ্যম ও প্রভাবিত বিরুদ্ধাচারণকারী:
এরা একই সাথে চলচ্চিত্রটির বিরোধিতায় নেমেছে, আবার একই সাথে চলচ্চিত্রটি দেখার ব্যাপারেও আগ্রহী! আসলে তারা অধিক বিরোধিতাকারীদের অপপ্রচার ও অপতৎপরতার প্রভাবে এর বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করেছে। তবে আশা করা যায় যে তারা চলচ্চিত্রটি দেখার পর এর বিরোধিতা করা পরিহার করবে।

কারণ
এরা আসলে নিজ ইচ্ছা ও বুদ্ধিতে চালিত হয় না, এরা পরিচালিত হয় অপরের অন্ধ অনুকরণের দ্বারা। অনেক সময় অপরকে দেখেও এরা হুজুগে বিভিন্ন কাজ করে। আবার এদের কারও মধ্যে প্রচণ্ড পাপ প্রবণতা থাকার কারণে এরা যেকোনো মহৎ উদ্যোগের বিরোধিতা করে থাকে। মূলত এসব কারণেই এরা এই মহতি কীর্তিটির বিরোধিতা করছে।

তিন. স্বল্পমাত্রার ও ভাসমান বিরোধিতাকারী:
এরা অল্পমাত্রায় এর বিরোধিতা করছে, আবার খুব দ্রুতই এরা মত পরিবর্তন করে এর পক্ষেও বলছে। এরা নিজেরাও জানে না যে এরা কি চলচ্চিত্রটির বিরোধী, নাকি সমর্থনকারী!

কারণ
এরা যেদিকে হাওয়া সেদিকে উড়ে, যেদিকে ঢেউ সেদিকে ভাসে ও যেদিকে ঢল সেদিকে হাঁটে। আর সকাল বিকাল অবস্থান ও মত বদল করা এদের স্বভাব। তাই এদের সম্পর্কে আর বেশী কিছু বিশ্লেষণের প্রয়োজন বোধ করছি না।

 কয়েকটি লক্ষণীয় বিষয় ও বিপরীতমূখি আচরণ:
-- এখন পর্যন্ত হযরত ঈসা (আ.) কে নিয়ে প্রায় ২৫০ টি ফিল্ম, হযরত মুসা (আ.) কে নিয়ে প্রায় ১২০টি ফিল্ম, অন্যান্য নবী রাসূলদের নিয়ে প্রায় ৮০টি ফিল্ম এবং গৌতম বুদ্ধকে নিয়ে প্রায় ৪০টির মতো ফিল্ম নির্মিত হয়েছে; অথচ সেখানে সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল মুহাম্মাদ (সা.) কে নিয়ে চলচ্চিত্রের সংখ্যা দুইয়ের অধিক হবে না! আর এ কারণেই এখন পর্যন্ত পশ্চিমা বিশ্বকে ইসলামের নবীর বাণী সঠিকভাবে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। সমস্ত নবী রাসূলগণই আমাদের কাছে সম্মানিত, তাহলে অন্যান্য নবী রাসূলদের ওপর নির্মিত চলচ্চিত্রসমূহের ব্যাপারে কোনোই আপত্তি ও বিরোধিতা আসছে না, কেবল মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ (সা.) এর ওপর নির্মিত চলচ্চিত্রটির ব্যাপারেই কেন রহস্যজনকভাবে এত আপত্তি ও বিরোধিতা?
এর আগেও মিশরীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা মুস্তফা আক্কাদ 'দ্যা ম্যাসেজ' নামে সরাসরি রাসূলুল্লাহ (সা.) এর জীবনীভিত্তিক না হলেও ইসলামের বিকাশ এবং প্রতিষ্ঠা নিয়ে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন। সেই চলচ্চিত্রটির নির্মাণ ও মুক্তির সময় এবং আজ অবধিও সেই চলচ্চিত্রটি ব্যাপারে কোনো আপত্তি, প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ দেখা যায়নি, কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে ইরানি ডিরেক্টর মাজিদ মাজিদির নির্মাণ করা এই চলচ্চিত্রটির ব্যাপারে কেন এত আপত্তি ও প্রতিরোধ সৃষ্টি করা হচ্ছে?
-- কিছুদিন আগে সৌদি ও কাতারের যৌথ উদ্যোগে হযরত ওমরের জীবনীভিত্তিক একটি দীর্ঘ সিরিয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে হযরত ওমর, আবু বকর, ওসমানসহ বিবি আয়েশাকে পর্যন্তও দেখানো হয়েছে। ওই সিরিজটির ব্যাপারে যারা অত্যন্ত উচ্ছাস প্রদর্শন করেছিল, অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে তারাই কেন রাসূলুল্লাহ (সা.) এর চলচ্চিত্রটির ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করছে? (যদিও চলচ্চিত্রটিতে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর মুখাবয়ব দেখানো হয়নি।)
কয়েক বছর আগে যখন মার্কিন পাদ্রী টেরি জোন্স আমাদের প্রাণপ্রিয় রাসূলুল্লাহ (সা.) কে নিয়ে ব্যাঙ্গাত্মক চলচ্চিত্র 'ইনসেন্স অব মুসলিমস' নির্মাণ করল, তখন সৌদি গ্রান্ড মুফতি, মক্কার হজের ইমাম, মদীনার খতিব, সৌদি বাদশাহ পর্যন্ত কেউই ওই জঘন্য চলচ্চিত্রটির বিরুদ্ধে একটি ‘টু’ শব্দটিও করেনি; অথচ এখন রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সম্মানে ও ভালোবাসায় তাঁর (সা.) মহাপবিত্র জীবনীর ওপর নির্মিত চলচ্চিত্রটির বিরুদ্ধে ন্যক্কারজনকভাবে কেন এরা গালমন্দ করতে করতে মুখে ফেনা তুলে ফেলছে?
যায়নবাদী ইয়াহুদীরা ও বিভ্রান্ত খ্রিস্টানরা তাদের নিজস্ব বিকৃত আক্বীদা বিশ্বাস অনুযায়ী হযরত মূসা (আ.) ও হযরত ঈসা (আ.) এর মহান ও পবিত্র চরিত্রের বিকৃত উপস্থাপন করে বিভিন্ন চলচ্চিত্র বানাচ্ছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে (নাউজুবিল্লাহ) মূসা (আ.) মদ্যপান করছেন, নর্তকীদের নাচ দেখছেন, পরকীয়া করছেন, ইত্যাদি জঘন্য মিথ্যাচার! তখন মহান নবীগণের ওপর সেই সমস্ত অন্যায় অপবাদের প্রতিবাদ করতে এদের দেখা না গেলেও রাসূলুল্লাহ (সা.) এর জীবনীর প্রকৃত ও সঠিক উপস্থাপন করে নির্মিত চলচ্চিত্রটির ব্যাপারে লজ্জাজনকভাবে কেন এরা বিরোধিতায় নেমেছে?
আল কায়দা-তালেবান, সৌদি ওয়াহাবী, তাবলীগ জামায়াত, জামায়াতে ইসলামী, হিযবুত তাহরীর, মুসলিম ব্রাদারহুড, দেওবন্দী কওমী গোষ্ঠী, পীর পন্থী সূফি সম্প্রদায়, প্রভৃতি বিভিন্ন দল উপদলের নেতৃবৃন্দ ও তাদের কর্মসূচিসমূহের ব্যাপারে নানা রকম ভিডিও ডকুমেন্টারি, চলচ্চিত্র, ভিজ্যুয়াল রিপোর্ট, প্রভৃতি তারা নিজেরাই নির্মাণ ও প্রচার করে থাকে। তাদের নেতাদের অটোবায়োগ্রাফী টাইপের ভিডিও প্রচার করে এরা অত্যন্ত সন্তুষ্ট থাকলেও সন্দেহজনকভাবে কেন আমাদের প্রাণপ্রিয় রাসূল (সা.) এর মহান বায়োগ্রাফী প্রচার করলে তারা অত্যন্ত অসন্তুষ্টি প্রকাশ করছে?
পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট চলচ্চিত্র হচ্ছে পর্ণোগ্রাফী, আর সবচেয়ে উৎকৃষ্ট চলচ্চিত্র হচ্ছে নবী রাসূলগণের বায়োগ্রাফী। যদিও বিশ্ব এই মূহূর্তে অসংখ্য পর্ণোগ্রাফির বেড়াজালে বন্দী, কিন্তু এসব নিম্নরুচির ফিল্মের বিরুদ্ধে অতি অল্প দায়সারা মাত্রার প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করলেও হতাশাজনকভাবে কেন তারা রাসূলুল্লাহ (সা.) এর পবিত্র বায়োগ্রাফিটির বিরুদ্ধে কৃষ্ণপ্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করছে?
ইসলামী ইরান এর আগেও বিভিন্ন নবী-রাসূলগণের জীবনীর ওপর চলচ্চিত্র ও সিরিয়াল নির্মাণ করেছে। যেমন: হযরত ইউসুফ (আ.), হযরত ঈসা মাসিহ (আ.), হযরত সুলাইমান (আ.), হযরত ইব্রাহীম (আ.), হযরত আইয়ুব (আ.) প্রভৃতি। কিন্তু তখন এসব চলচ্চিত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক না দিয়ে কেন মুহাম্মাদ (সা.) এর চলচ্চিত্রটির বিরুদ্ধে কাপুরুষোচিতভাবে আন্দোলনের ডাক দেয়া হচ্ছে?
মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ (সা.) চলচ্চিত্রটির বিরুদ্ধে যত অপপ্রচার ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হচ্ছে, তার সিংহভাগই করা হচ্ছে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাহায্য নিয়ে। তারা ইলেকট্রনিক মিডিয়া ব্যবহার করে তাদের বক্তব্য ও আদর্শ প্রচার করাকে নিন্দনীয় মনে না করলেও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে ব্যবহার করে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর বক্তব্য ও আদর্শ প্রচার করাকে অজ্ঞতাপূর্ণভাবে কেন নিন্দনীয় বলছে?
সৌদি ওয়াহাবীরা ইদানিং মহান আল্লাহ পাকের হাত পা, মাথা, শরীর আছে বলে প্রচার করার নতুন শিরকী মিশন শুরু করেছে ও ব্যাপকভাবে এই শিরকী ধ্যান ধারণা প্রচার করে যাচ্ছে। মহান আল্লাহ পাকের হাত পা থাকার মত জঘন্য পৌত্তলিক বিশ্বাস প্রচার করলেও কোনো ভ্রুক্ষেপ করা হচ্ছে না, অথচ রাসূলুল্লাহ (সা.) এর চলচ্চিত্রটিতে তাঁর চেহারা মোবারক না দেখিয়ে কেবল হাত পায়ের অবয়ব দেখালেও কেন তারা বিদ্বেষমূলকভাবে এর প্রতি তির্যক দৃষ্টিপাত করছে?
মোদ্দা কথা, খুব ভালো মতই বোঝা যাচ্ছে যে, বিশ্ব বিখ্যাত ইরানি শিয়া চলচ্চিত্র নির্মাতা মাজিদ মাজিদির নির্মাণ করা 'মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ (সা.)' চলচ্চিত্রটির বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী বৈশ্বিক ষড়যন্ত্র চলছে; আর এই ষড়যন্ত্রের মূল কারণ কখনও রাসূল বিদ্বেষ, কখনও শিয়া বিদ্বেষ, আবার কখনও বা ইরান বিদ্বেষ ...
তারা মহান আল্লাহপাকের দ্বীনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, কিন্তু মহান আল্লাহ পাকের পরিকল্পনা তাদের ষড়যন্ত্রেরও উর্ধ্বে। আমরা মহান আল্লাহ পাকের দ্বীনের জন্য যাকিছু করি, তার বিনিময়ে দুনিয়া থেকে কোনো কিছুই আশা করি না; এর প্রতিদান তো কেবল মহান আল্লাহ পাকের হাতেই ...
মহান আল্লাহপাক চাইলে ইসলামী ইরানের এই মহতি উদ্যোগকে কবুল করবেন, সফলতা দান করবেন ও এর অতি উত্তম প্রতিদান দান করবেন।#
লেখক: ছাত্র,  আল মুস্তাফা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়,  কোম,  ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান ও সদস্য, আল কুদস কমিটি, বাংলাদেশ।


source : abna
  1825
  0
  0
امتیاز شما به این مطلب ؟

latest article

      ওয়াহাবিরা ইসলামী নির্দশনগুলো ধ্বংস ...
      মহানবী (স.), আহলে বাইত (আ.) ও সাহাবীদের ...
      হযরত ফাতেমার প্রতি নবী (সা.)-এর মহব্বত ...
      সাইয়্যেদুন্নিসা খাতুনে জান্নাত ...
      মহানবী’র (সা.) জন্মস্থান ধ্বংস করে ...
      তাকওয়া অর্জনের উত্তম মৌসুম
      ধর্ম বিশ্বাস প্রশান্তির প্রধান উৎস
      ইসলামের দৃষ্টিতে কর্ম ও শ্রম (১ম পর্ব)
      নবীবংশের এগারতম নক্ষত্র ইমাম হাসান ...
      নবীবংশের এগারতম নক্ষত্র ইমাম আসকারী ...

 
user comment