বাঙ্গালী
Sunday 24th of March 2019
  2917
  0
  0

মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার আহবান ইরানের সর্বোচ্চ নেতার

মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার আহবান ইরানের সর্বোচ্চ নেতার

আবনা : ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হযরত আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ি ইরাক ও ইরানের সম্পর্ককে অত্যন্ত আন্তরিক অভিহিত করে সম্পর্ক আরো জোরদারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বিগত বছরগুলোর তুলনায় ইরান ও ইরাকের সম্পর্কের নজিরবিহীন উন্নতি হয়েছে এবং এ ধারা অব্যাহত রাখা উচিত। ইরাকের প্রেসিডেন্ট ফুয়াদ মাসুমকে দেয়া সাক্ষাতকারে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এ কথা বলেছেন।
হযরত আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ি ইরাকে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা ও দেশটির উন্নয়নের জন্য সার্বিক সহযোগিতা দিতে ইরানের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন। তিনি ইরাকে একটি স্থিতিশীল ও জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠাকে আরব দেশগুলোর জন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, ইরাকের কর্মকর্তারা এবং সব দল ও সংগঠনের উচিত নিজেদের এ শ্রেষ্ঠত্বকে রক্ষা করা এবং ছোট খাটো মতবিরোধকে কেন্দ্র করে ইরাকের জনগণের ঐতিহাসিক সাফল্যকে বিনষ্ট করার সুযোগ দেয়া উচিত হবে না।
ইরাকের প্রেসিডেন্টকে দেয়া সাক্ষাতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা সিরিয়া ও ইয়েমেনসহ এ অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে রক্তপাত ও সহিংসতার ব্যাপারে গভীর দুঃখ প্রকাশ করে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন, বর্তমানে মুসলিম বিশ্ব শত্রুদের গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার। তিনি বলেন, ফিলিস্তিন, উত্তর আফ্রিকার দেশগুলো এবং সিরিয়া ও ইয়েমেনের জনগণের দুঃখদুর্দশা দেখলে চোখে পানি এসে যায়। এ প্রসঙ্গে তিনি মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করার জন্য ইসলাম ও মুসলমানদের শত্রুদের ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, এ অঞ্চলে মার্কিন অসৎ লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে গেছে।
এ প্রসঙ্গে ইরাক, সিরিয়া ও ইয়েমেনসহ এ অঞ্চলের অন্যান্য মুসলিম দেশকে খণ্ড বিখণ্ড ও অস্থিতিশীল করার জন্য মার্কিন কংগ্রেসের সাম্প্রতিক একটি পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করা যায়। এ কারণে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শত্রুদের এ ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সংহতি ও সহযোগিতা বিস্তারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এমন স্পর্শকাতর সময়ে তিনি সহযোগিতা বিস্তারের কথা বললেন যখন ইরাক ও সিরিয়ায় উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএল’র বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলছে।
গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, এ অঞ্চলে তৎপর তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো দখলদার ইসরাইলসহ এমন কারো স্বার্থে কাজ করছে যাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে এ অঞ্চলে যুদ্ধবিগ্রহ চাপিয়ে দেয়া ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করা। মধ্যপ্রাচ্যে আইএসআইএল’র উদ্ভবের পর থেকে সন্ত্রাসী এ গোষ্ঠীর প্রতি অস্ত্র ও অর্থসহ সর্বাত্মক সাহায্য সমর্থন দিয়ে আসছে সৌদি আরব। এ অঞ্চলে নৈরাজ্য, নিরাপত্তাহীনতা ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির জন্য সৌদি আরব ইরাক ও সিরিয়ায় সন্ত্রাসীদেরকে লেলিয়ে দিয়েছে। সৌদি আরব আরব দেশগুলোকে নিয়ে কথিত জোট গঠন করে এ অঞ্চলে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার দাবি করলেও ভিত্তিহীন অজুহাতে সৌদি সরকার ইয়েমেনে হামলা চালাচ্ছে। রিয়াদ ইয়েমেনে হামলা চালিয়ে এমন কিছু লক্ষ্য বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে যার সঙ্গে ইসরাইল ও আমেরিকার লক্ষ্যের মিল রয়েছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা যেমনটি বলেছেন, সৌদিরা ইয়েমেনে হামলা চালিয়ে মারাত্মক ভুল করেছে এবং এ আগ্রাসন তাদের জন্যই বুমেরাং হবে।#


source : abna
  2917
  0
  0
امتیاز شما به این مطلب ؟

latest article

      ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় হামাসের ২ ...
      'গাজায় ইসরাইলি বিমান হামলার শরিক ...
      ইয়েমেনে শিশুদের ওপর হামলায় মার্কিন ...
      আগ্রাসীদের রাজধানী আর নিরাপদ থাকবে ...
      গ্রিসে ইসলামের প্রসার বাড়ছে
      ঘুড়ি ও বেলুনে অসহায় ইসরাইলের নয়া ...
      সৌদি জোটের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ
      ইয়েমেনিদের হামলায় ৫৮ সৌদি সেনা নিহত
      শুক্রবার দেখা যাবে শাওয়াল মাসের নতুন ...
      ইসরাইল-বিরোধী সংগ্রাম জোরদারের শপথে ...

 
user comment